দাম্পত্য জীবনে সুখী হবার উপায়



#দাম্পত্য_জীবনে_সুখি_হওয়ার_উপায়

 

#স্বামীদের_জন্য

 

"আরে বলিস না দোস্ত বউয়ের জ্বালায় বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না!!সবসময় একই কথা,তুমি আমাকে আগের মতো ভালবাস না,সময় দাও না!!প্রতিনিয়ত এসব শুনতে শুনতে আমি চরম বিরক্ত।

অথচ দেখ আমাদের মা'য়েরা কখনো বাবাদের এসব অভিযোগ করেনি! বাবাদের কত যত্ন, সেবা করেছে!!

সত্যি বলতে কী আমারও তাই মনে হয়,আমার বউই আমাকে আগের মত শ্রদ্ধা করে না।ভালবাসে না।

 

আমার বন্ধু তালহার এই কথা শুনে আমি খানিকটা অবাক হয়ে জিজ্ঞাস করলাম,

: তুই কী কখনো ভাবির রাগের কারণ জানতে চেয়েছিস?ভাবির ইচ্ছা, অনিচ্ছা জানতে চেয়েছিস?পছন্দ, অপছন্দ জানতে চেয়েছিস?ভাবিকে খুশি করার চেষ্টা করেছিস?

-- ইয়াসির,কী'যে বলিস তুই,মেয়ে মানুষের আবার এসব কী। আসলে সব যুগের প্রভাব। এখনতো মেয়েরা আধুনিক হচ্ছে যতই আধুনিক হচ্ছে তত বেশি নিজেকে নিয়ে ভাবছে।আরে আমাদের মা,চাচীরা এত আধুনিকও ছিল না, এত কিছু চাইওনি।ডিজিটাল,ফেইসবুক, ইন্টারনেটের যুগ মেয়েদের ধ্বংস করে দিচ্ছে।

: কিন্তু তালহা সে তো মানুষই তারও অনেক কিছু চাওয়ার থাকতে পারে।

হয়তো ভাবির অভিযোগই সঠিক!তুই আসলেই ভাবিকে অবহেলা করছিস, যত্ন করছিস না।স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক চারা গাছের মত,তুই যদি এটাকে যত্ন করিস ফুলে ফলে আমাদের উপকারে আসবে,ঠিক তেমনি সম্পর্ককেও যত্ন করতে হয়,নয়তো সেটা অল্পতেই তার উজ্জ্বলতা হারাবে।

তালহা বিরক্ত হয়ে কিছু বলতে যাচ্ছিল,আমি তাকে চুপ করিয়ে দিয়ে বললাম,

: জানিস তালহা হাদিসে কি আছে?

 

#আল্লাহর রাসুল (সা) প্রায় সময় উম্মুল মু’মিনীন খাদিজা (রা) এর কোলে মাথা রাখতেন, এবং তাঁর মৃত্যুর পর আয়শা (রা) এর উরুর উপর মাথা রেখে শুতেন। যখন আয়শা (রা) ঋতুবর্তী অবস্থায় উপনীত হতেন, তখন তিনি (সা) তাঁর উরুর উপর শুয়ে কোর’আন তিলাওয়াত করতেন।

 

: বলতো তালহা?তুই কি কখনো ভাবির সাথে এসব করেছিস?আমি তো বলবো,আমাদের দেশের খুব কম সংখ্যক মানুষই স্ত্রীর কোলে মাথা রাখেন!!

 

হাদিসে আরো আছে,

#হযরত আয়শা (রা) প্রায় সময় রাসুলুল্লাহর (সা) মাথার চুল আচড়ে দিতেন। এমনকি তিনি রাসুলুল্লাহ (সা) এর মাথা ধৌত করে দিতেন।

 

আমার মতে,স্বামী-স্ত্রী একে অপরের কাছাকাছি আসার এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ। 

বলতো আমাদের দেশে তুই বা কয়জন স্বামী-স্ত্রী এসব করে?

তুই বলতে পারিস, সে কেন করে না?

তুই না হয় আগেই শুরু করে দেখ!!

 

#হযরত আয়শা (রা) যে গ্লাসে করে পানি পান করতেন, আল্লাহর রাসুল (সা) ঠিক প্রিয় সহধর্মিণীর ঠোঁট লাগা অংশে ঠোঁট লাগিয়ে পানি পান করতেন। যখন আয়শা (রা) মাংশ খেতেন, তখন আল্লাহর রাসুল (সা) আয়শা (রঃ) হতে মাংশটা টান দিয়ে নিয়ে নিতেন, এবং ঠিক আয়শা (রা) যেদিকটায় ঠোঁট লাগিয়ে খেয়েছেন, একই স্থান থেকে তিনি (সা) ও খাওয়া শুরু করতেন।

 

: আজ হতে মাঝে মাঝে একই প্লেটে, একই গ্লাসে খাওয়া চেষ্টা করিস।প্রতিদিন সম্ভব না হলে অন্তত মাঝেমাঝে করা যায়। এতে হৃদতা, ভালোবাসা বাড়বে। 

জানিস?

#রাসুল (সা) প্রায় সময় স্ত্রীদের চুমু খেতেন। তাঁদের সাথে আদর আহ্লাদ করতেন। যখন রাসুলুল্লাহ (সা) রোজা রাখতেন, ঠিক তখন তিনি স্ত্রীদের চুমু দিয়েছেন এমন কথাও হাদিসে পাওয়া যায়।

: স্ত্রীর চোখে চোখ রাখা, তার কাজের মধ্যখান দিয়ে হুট করে চুমু দিয়ে আসা, ভালোবাসার গভীরতাকে স্ত্রীর অন্তরে পৌছাতে সাহায্য করে। ভালোবাসা লুকোনোর বিষয় নয়, তা প্রকাশ করার মাধ্যম ইসলাম শিখিয়েছে আমাদের। লজ্জা ভুলে একে অপরের সম্মুখে ভালোবাসা প্রকাশ করলে সংসারের শান্তি বাড়বে বৈই কমবে না। 

 

#রাসুল (সা) বলেন, ‘…তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্যেশ্যে যা ব্যয় করবে তার উত্তম প্রতিদান পাবে। এমনকি স্বীয় স্ত্রীর মুখে তুলে দেওয়া লোকমার বিনিময়েও।

 

: ভেবে দেখতো আমাদের দেশের কোন স্বামী বা তুই শেষ কখন স্ত্রীকে মুখে খাবার তুলে দিয়েছিস?

 

 #হযরত আসওয়াদ (রঃ) বলেন,আমি আয়শা (রা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসুলুল্লাহ (সা) ঘরে কী কাজ করতেন? তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) ঘরের কাজে ব্যস্ত থাকতেন অর্থাৎ গৃহস্থালির কাজে পরিবার-পরিজনের সহযোগিতায় থাকতেন। যখন নামাজের সময় হতো নামাজে চলে যেতেন।

 

: স্ত্রীর ঘরের কাজে সাহায্য করা আল্লাহর রাসুল (সা) এর সুন্নাহ। নিশ্চই এই সুন্নাহর ব্যাপারে পুরুষদের সজাগ দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।

অথচ আমাদের দেশে বউকে কাজে হেল্প করলে, খারাপ অর্থে বউ পাগলা উপাধি দেওয়া হয়।

অধিকাংশ নিজের ব্যস্ততার অজুহাত দেখায়।বলতো রাসুল (সঃ) কী বস্ত ছিলেন না?

হাদিসে আরো আছে,

 #আল্লাহর রাসুল (সা:) প্রায় সময় তাঁর স্ত্রীদের গল্প শোনাতেন। আয়শা (রা:) কে তিনি উম্মে যারাহ এর বিখ্যাত গল্প শুনিয়ে বলেছিলেন যে, ‘হে আয়শা আমি তোমাকে আবু যারাহ এর মতো ভালোবাসি, যেভাবে সে উম্মে যারাহ কে ভালোবাসতো’।

 

: আর আমরা কাজের কারণে সারাদিন বাইরে কাটিয়ে দিই।আর বাসায় যেটুকু সময় থাকি তাও মোবাইলে!!কী গল্প করব ছুটির দিনে তো বাসায় আমাদের মনই বসে না!

 

একটা মজার ঘটনা শুন,

 

#একবার ইথিওপিয়া থেকে কিছু লোক এসে মাসজিদ নববীতে তরবারি খেলা দেখাচ্ছিল। আয়শা (রা:) রাসূল (সা:) কে বললেন তিনি খেলা দেখতে চান। এমন অবস্থায় আমরা হলে কী বলতাম? “হ্যাঁ!! উম্মাহর এই অবস্থা আর তুমি চাও খেলা দেখতে!! ছি! যাও যাও কুরআন পড়…তাফসীর পড়…” অথচ রাসূল(সা:) আয়শা (রঃ)কে নিয়ে গেলেন এবং তাঁকে আড়াল করে সামনে দাঁড়িয়ে গেলেন। আয়শা (রা:) রাসূলুল্লাহর পিছনে দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে লাগলেন। এত দীর্ঘ সময় তিনি খেলা দেখলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা:) বারবার এক পা থেকে আরেক পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন। তিনি আয়শা(রা) কে জিজ্ঞেস করলেন যে তাঁর দেখা শেষ হয়েছে কি না। আয়শা (র:) বললেন তিনি আরো দেখতে চান। কোন আপত্তি না করে রাসূল (সা:) সেভাবেই দাঁড়িয়ে থাকলেন। দীর্ঘক্ষণ পর আয়শা(রা:) নিজেই ক্লান্ত হয়ে বললেন যথেষ্ট হয়েছে। এরপর রাসূল(সা:) তাঁকে বাসায় নিয়ে আসলেন।

 

#আয়শা (রা:) তখন হালকা গড়নের ছিলেন। রাসূল (সা) কোন এক সফর থেকে ফিরছিলেন। সাথে ছিলেন আয়শা (রঃ)। তিনি সাহাবীদেরকে বললেন সামনে এগিয়ে যেতে। তাঁরা চোখের আড়াল হলে রাসূল (সা:) আয়শা (রঃ) কে দৌড় প্রতিযোগীতায় আহ্বান করলেন। আয়েশা জিতে গেলেন।

 এর কয়েক বছর পর  আবার রাসূল (সা:) আয়শাকে (রা:) দৌড় প্রতিযোগীতায় আহ্বান করলেন। এবার রাসূল(সা) জিতে গিয়ে মজা করে বললেন, “এটা আগেরটার শোধ।”

 

: আর আমরা বর্তমান যুগের পুরুষরা এসব ভাবতেই পারি না!!

আমি তালহাকে প্রশ্ন করলাম,

: তুই ভাবিকে কোন স্পেশাল নামে ডাকিস?

--স্পেশাল নামে ডাকতে হবে কেন?যেটা আছে সেটাই তো যথেষ্ট!!

: না যথেষ্ট নয়,আমি  সুমাইয়াকে সুমু বলে ডাকি এতে সে খুব খুশি হয়।

সে ভাবে, সুমু ডাকটা স্পেশাল আমার!

হাদিসে আছে,

#আয়শাকে (রা) কে নবী (সা) আদর করে ডাকতেন হুমায়রা বলে। হুমায়রা অর্থ ‘লাল বর্ণের রমনী’। রাসুলুল্লাহ (সা:) এর আদর মাখা ডাক শুনে আয়শা (রা:) কাছে আসতেন তাকে জড়িয়ে ধরতেন, এরপর কবিতা পাঠ করে আল্লাহর রাসুলকে (সা:) শোনাতেন।

এমনও হয়েছে আল্লাহর রাসুল (সা:) একবার আয়শার (রা:) দিকে তাকিয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো বলেন, ‘তোমার চক্ষুদ্বয় কত্ত সাদা’!

: বুঝছিস?এইজন্য স্পেশাল নামে কেন ডাকতে হবে?

 

#ইবনে আব্বাস (রা) বলেন,‘আমি যেমন আমার জন্য স্ত্রীর সাজগোজ কামনা করি, অনুরূপ তার জন্য আমার নিজের সাজগোজও পছন্দ করি।’

এই কথা শুনে,তালহা তাচ্ছিল্য করে বললো,

--সে জীবনে কখনো আমার জন্য সাজেনি।

: তুই নিজেকে স্ত্রী যেভাবে চাই সেভাবে সাজানোর চেষ্টা করেছিস?

--আমার আবার কী সাজ?পুরুষ মানুষের কী আবার সাজ?

: বাইরে যাওয়ার সময় তো ভালভাবেই সাজিস।চুল আছড়ে,বডি স্প্রে দিয়ে।

বাসায় ভাবিকে উদ্দেশ্য করে কখনো এসব করেছিস?আমরা তাদের কাছে আশা করি কিন্তু নিজেরা করি না।

তার যেমন তোর জন্য সাজা উচিৎ তেমনি তোরও তার জন্য সাজা উচিৎ।

--তো,স্ত্রীর জন্য বাসায় আবার বডি স্প্রে দিতে হবে কেন?

: কারণ হাদিসে এসেছে,

 

#আয়শা (রা:) এর কাছে যেসব সুগন্ধি থাকতো, সেগুলো থেকে উত্তম সুগন্ধি হজরত আয়শা (রা:) রাসুলুল্লাহ (সা:) কে লাগিয়ে দিতেন। সুগন্ধী আল্লাহর রাসুল (সা:) এর প্রিয় ছিলো।

কেন বুঝছিস?

তুই অবাক হয়ে যাবি,একটা বিষয় জানলে।

--কী?

:শোন,

 

#নবীজি (সা:) মাঝে মাঝে একটা ভেড়া জবাই করে বলতেন, “এই ভেড়ার মাংস খাদিজা (র:) বান্ধবীদের জন্য পাঠিয়ে দাও।”  নবীজি (স:) যে কেবল খাদিজার (র:)এর  জীবিত অবস্থায় এমন করেছেন তা নয় বরং তিনি তো খাদিজা (রা:) মারা যাবার পরেও তাঁর বান্ধবীদের সাথে সৌহার্দ্য বজায় রেখেছেন। এটা তিনি করতেন খাদিজার প্রতি ভালোবাসা থেকে।

#আবু বকর (রা) একবার বলছিলেন, আমি তিনটি বিষয় খুব পছন্দ করি, এর মাঝে একটি হল-‘আমি মুহাম্মদ (সঃ) এর শ্বশুর…’ এই কথা দ্বারা কী বুঝা যায়?আল্লাহর রাসুল (সা:) শ্বশুর বাড়ির লোকেদের কেমন মহব্বত করতেন, এবং কতোটা আপন করে নিয়েছিলেন।

: আমাদের দেশের স্ত্রীরা তো যথাসাধ্য শ্বশুর বাড়ির লোকদের জন্য করে,কেউ আন্তরিকতা থেকে করে,কেউ সমাজিক রীতি হয়ে গেছে বলে করে।কেউ চাপে পড়ে বাধ্য হয়ে করে।কিন্তু করে তো?কিন্তু কয়জন স্বামী, স্ত্রীর পরিবারের সাথে সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করে?

বরং স্বামীদের এমন একটা ভাব তাদের মেয়ে বিয়ে করে তাদেরকে উদ্ধার করেছে,তাই মেয়ে জামাইকে পূঁজে পুঁজে থাকতে হবে।

তালহা অনেকক্ষণ চুপ থেকে বললো,

--কিন্তু যা হওয়ার তা হয়ে গেছে,এখন কী করব বল?

কীভাবে সংসারের শান্তি আসবে ভালবাসা বৃদ্ধি পাবে?

: এখানে যেগুলো উল্লেখ আছে সেগুলো কর।পাশাপাশি যখন সুযোগ হবে একে অপরকে সালাম দিস।

--সালাম?

: হুম সালাম কারণ হাদীসে এসেছে,

 

রাসুলুল্লাহ (সা:) মোমিনদের পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা ও সৌহার্দ বৃদ্ধির জন্য একটি চমৎকার পন্থা বাতলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার না হবে, তোমরা ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা ও সৌহার্দ স্থাপন করবে। আমি কি তোমাদের এমন বিষয়ের কথা বলব না, যা করলে তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও সৌহার্দ প্রতিষ্ঠিত হবে? সাহাবিরা বললেন, নিশ্চয় ইয়া রাসুলাল্লাহ! (তিনি বললেন) ‘তোমাদের মধ্যে বহুল পরিমাণে সালামের প্রচলন করো।’ (মুসলিম : ৮১)।

অর্থ্যাৎ স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা বাড়াতে অবশ্যই প্রতিটি মুসলমানকে একে অপরকে সালাম দেয়ার অভ্যাস তৈরি করতেই হবে।

এই হাদিসটি স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

 

Add a post Now

Comments

Please login to comment

Login Now

// FEATURED

  • স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে পর্দা নিয়ে কথোপকথন

    09 May 2019

  • স্বামী -: তুমি কি বোরকা ছাড়া আগামী শুক্রবার তোমার চাচাতো বোনের বিবাহের অনুষ্ঠানে যেতে চাচ্ছো?? স্ত্রী :- হ্যাঁ!! কেনো নয়?? বিশেষ একটা দিন! স্বামী -: নাহ, তুমি বোরকা ছাড়া ঘর থেকে বেরহতে পারো...


  • নামাজ পড়ার ফজিলত ও নামাজ ত্যাগের ভয়াবহ পরিনতি

    09 May 2019

  • ১। হযরত হানযালা আল উসাইদী রাযি. হতে বর্ণিত, عن حنظلة الاسيدى ان رسول الله صلى الله عليه و سلم قال من حافظ على الصلوات الخمس على وضوئها ومواقيتها وركوعها وسجودها يراها حقا لله عليه حرم على النار রাসূ...


  • নামাজ সম্পর্কিত কিছু আয়াত ও হাদীস

    09 May 2019

  • আয়াত নং-১: اِنَّ الصَّلٰوةَ تَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ- অর্থাৎ- নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অশ্লীল ও ঘৃণিত কাজ থেকে বিরত রাখে। সূরা: আনকাবূত, আয়াত-৪৫ আয়াত নং-২ حٰفِظُوْا عَلَى الصَّلٰوتِ وَ...


  • উন্নত বিশ্ব এবং আমাদের মধ্যে পার্থক্য কি?
    উন্নত বিশ্ব এবং আমাদের মধ্যে পার্থক্য কি?

    03 May 2019

  • আমার স্টুডেন্ট আমাকে একবার প্রশ্ন করলো , আচ্ছা ভাইয়া , যে আমেরিকা পরমানু বোমা বানাতে পারে , রকেট বানাতে পারে , আধুনিক যুদ্ধ বিমান বানাতে পারে , তারা কি নিজেদের পোশাক , জামা কাপড় নিজেরা বানাতে পারে না...


  • দাম্পত্য জীবনে সুখী হবার উপায়
    দাম্পত্য জীবনে সুখী হবার উপায়

    06 November 2018

  • #দাম্পত্য_জীবনে_সুখি_হওয়ার_উপায়   #স্বামীদের_জন্য   "আরে বলিস না দোস্ত বউয়ের জ্বালায় বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না!!সবসময় একই কথা,তুমি আমাকে আগের মতো ভালবাস না,সময় দাও না!!প্রতিনিয়ত এসব শুনতে...